১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২রা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং,বৃহস্পতিবার,সকাল ৯:০২

নভেম্বর ১, ২০২১
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে করোনা প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে ।

আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনা প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, ইউএস এআইডি প্রতিনিধি, ইউনিসেফ প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হবে। সোমবার ঢাকায় শুরু হলো। এরপর এ কার্যক্রম জেলা পর্যায়ে শুরু হবে। পরে তা উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

টিকার প্রাপ্যতার কোনও সংকট নেই জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা ৯৬ লাখ ফাইজারের টিকা পেয়েছি। এর মধ্যে ১৪ লাখ দেয়া হয়ে গেছে। আমাদের আরও ৯২ লাখ পাওয়ার কমিটমেন্ট রয়েছে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের টিকা দিতে ৩ কোটি টিকা লাগবে। এর মধ্যে ২ কোটি কনফার্ম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্য থেকে জানানো হয়েছে আগামীতে আরও বেশি ফাইজার ও মর্ডানার টিকা আমাদের দেয়া হবে। কাজেই আমাদের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে ভাল টিকা দিচ্ছি।

ফাইজারের টিকাটি ভাল জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, এই টিকাটি ভাল টিকা। এই টিকাটি আমরা কিছু দিন আগে প্রাথমিকভাবে প্রয়োগ করেছি। তাতে দেখা গেছে খুবই ভাল ফল। কোন রকম পাশ্বপ্রতিক্রয়া দেখা দেয়নি। সবাই খুব ভাল আছে, সুস্থ আছে।

‘আমেরিকান সরকার ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য ফাইজারের টিকাটি অনুমোদন দিয়েছে। এই টিকা আমেরিকা, ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে দেয়া হচ্ছে। সেই টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি।’

প্রাথমিক পর্যায়ে ৮টি স্কুলে টিকাদান কর্মসূচী চলবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ঢাকায় ৮টি স্কুলে টিকাদান কর্মসূচী চলবে। পরবর্তীতে সারাদেশে ২২টি কেন্দ্রে এ টিকাদান কর্মসূচী চলবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক কেন্দ্রে ৫ হাজার করে ৮টি কেন্দ্রে ৪০ হাজার টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। টিকার কোনো অভাব হবে না। টিকা ক্রয়ের কোনো কমতি হবে না।

২১ কোটি টিকা ক্রয় করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা ২১ কোটি টিকা ক্রয় করেছি। ২১ কোটি টিকা ক্রয় করতে হাজার হাজার কোটি টাকা লেগেছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে ৭ কোটি টিকা পাওয়ার আশ্বাস পেয়েছি। কাজেই টিকার আর অভাব হবে না। অনলাইন ।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখনই ১২ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা অনুমোদন দিলে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রমের কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ হবে কিনা সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা অনেক ভালো। আমরা একদিনে ৮০ লাখেরও বেশি টিকা দিয়েছি। আমাদের রেগুলার টিকা কার্যক্রম চলমান আছে। আমরা যখন ৮০ লাখ টিকা দেই, তখনও তা চলমান থাকে। আমরা প্রতিদিন ৫-৬ লাখ টিকা দিয়ে থাকি। এখানে আরও ৪০ হাজার স্কুল শিক্ষার্থী যুক্ত হলো। ৪০ হাজার কেন, চার লাখ যুক্ত হলেও আমরা সেটা দিতে পারবো। আমাদের তার জন্য জনবল, টিকা, ব্যবস্থা সবই আছে। আরও প্রয়োজন হলে আরও বাড়াবো।’

0Shares
আরো খবর »

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওয়াহিদুজ্জামান
ফোনঃ +৮৮-০১৭৪২৩৪১৫২৩
ইমেইলঃ wzaman288@gmail.com

স্মরনিকা
২৪৭, টুটপাড়া মেইন রোড,
খুলনা-৯১০০, বাংলাদেশ ।
মোবাইলঃ+ ৮৮-০১৯২২৫৫৭৮৯৬
ইমেইলঃ dkhulnanews@gmail.com

কপিরাইট © ২০১৭ |
সর্বস্বত্ব ® স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ডিজিটালখুলনা.কম |
উন্নয়নে Real IT Solution