সহজপ্রাপ্য কয়েকটি ভেষজ উপাদানের শরীরবৃত্তীয় পুষ্টিগুণ

স্বাস্থ্য

ফাইল ছবি।

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ

দৈনন্দিন কাজে নানা ধরনের ভেষজ মশলা জাতীয় উপদান আমরা ব্যবহার করে থাকি। এ সব মশলা জাতীয় ভেষজ উপাদান কোন না কোনভাবে আমাদের শরীরে নানাভাবে পুষ্টি উপাদান সরবরাহ ও যোগান দিয়ে থাকে। নিত্যদিনের কাজে এসব মশলা জাতীয় ভেষজ উপাদনে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকে। জেনে নেওয়া যাক –

রসুনঃ
রসুন হল নিত্য দিনের রান্না বান্নায় ব্যবহৃত একটি অতি প্রয়োজনীয় মশলা।প্রতিদিন সকালে বিশেষ করে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে শরীরের ব্যাড কোলেস্টেরল ৯ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। রসুন শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। তবে তরকারির সাথে রান্না করায় রসুনের অনেক জৈব উপাদানের সঠিক মাত্রা নষ্ট হয়ে যায়। তাই রসুনের আসল সুফল পেতে প্রতিদিন কমপক্ষে এক-দুই কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়াই উত্তম।

আদাঃ
আদা আরেকটি নিত্য প্রয়োজনীয় মশলা জাতীয় খাবার। এটি শরীরের ব্যথা কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও বমি বমি ভাব, অ্যাসিডিটি কমানো, সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে গলার অসহনীয় ব্যথা কমাতে এবং খাবার বিপাকে সাহায্য করে। প্রতিদিন পরিমানমত আদার রস বা আদা ও লেবুর রস মিশিয়ে রং চা খেলে গলার ব্যথা ও সর্দি-কাশির উপকার পাওয়া যায়।

লবঙ্গঃ
এটি আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মশলা যা রান্নায় ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে, লবঙ্গ দাঁতের ব্যথা ও শরীরের অ্যাসিডিটি কমাতে দারুনভাবে সাহায্য করে। অন্যভাবে, লবঙ্গে রস খেলে কিংবা আদা, দারুচিনি ও লবঙ্গ একসঙ্গে ফুটিয়ে চা তৈরি করে পান করলে ছোট বড় সবার ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও গলাব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

দারুচিনিঃ
এই মশলাটি শরীরের যে কোনো ক্ষত ও ছত্রাকের সংক্রমণ সারাতে সাহায্য করে। দারুচিনি গুঁড়া করে পানিতে মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ শরীরের ইমিউনিটি বাড়ে।

এলাচিঃ
চেনা একটি মশলা এলাচি। নিয়মিত এলাচি খেলে ফুসফুসের রোগ ও কিডনির প্রদাহজনীত রোগ, অ্যাজমা সমস্যা, দাঁত ও দাঁতের মাড়ির ব্যথা, মাড়ি ফোলা ভাব এবং গলাব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এলাচিতে রয়েছে খাদ্য হজম করার চমকপ্রদ ক্ষমতা।

গোলমরিচঃ
গোলমরিচ একটি অতি পরিচিত রান্নার মশলা। এটি খাবার পরিপাকে সাহায্য করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে।শরীরের ব্যথা কমাতেও এটি খুব উপকারী।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.