৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,১৯শে জুন, ২০২১ ইং,শনিবার,সন্ধ্যা ৭:২৬

মার্চ ৩১, ২০১৮
প্রসঙ্গ ঃ স্বাধীনতার ৪৭ বছর ও কর্পোরেট জন প্রতিনিধিত্ব- এক
— ওয়াহিদুজ্জামান ( অভিমত)
স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিক্রান্ত।দেশের দৃশ্যমান অজ’নের ত্বরিত চাকা থেমেছে সেই ১৯৭৫ এর১৫ আগস্ট! আজকের প্রভুত উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আমরা আরও আগেই শামিল হতে পারতাম! সে দৃষ্টিকোণ হতে এ দেশের মানুষ পিছিয়েছে জাতির জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে কে অসময়ে হারিয়ে!
 ‎
।।ফিরে দেখা সময় ।।
 ‎
আমরা মুক্তিযুদ্ধ কে কতটা ধারন করতে পেরেছি- বলাটা কঠিন।এদেশের বহুদলীয় গনতন্ত্র, সেনা ছাউনী হতে যেকোন প্রেক্ষাপট হতে বেরিয়ে এসে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়া কতটা দেশ লাভবান হয়েছে – সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় । তবে মানুষের জন্য রাজনীতি- বিশুদ্ধ জীবনের জন্য রাজনীতি- অবহেলিত জনপদের জন্য রাজনীবতি কিংবা শোষিত শ্রেনীর মুক্তির জন্য রাজনীতি – যার সবকিছুতেই কমবেশী দুষনের আছড়ের সুচক সকলেই কম বেশি আমরা অবগত।
 ‎
 স্বাধীনতা পরবতি’ জাতির জনককে নিশঃচিহ্ন ষড়যন্ত্র ও বাস্তবায়ন।রাষ্ট্রকে ঠুটো জগন্নাত করে রাখার বহুমুখী অপরাজনীতের হাত ধরে যখন বৈষম্য আর বিভাজনে সময়ে সমাজ আর জীবনবোধ কে আঘাত করার জন্য সুবিধাবাদীরা ছক আটল। ঠিক তারই জের ধরে কপো”রেটের হাতে কবজা হয়ে – রাষ্ট্রের সব চাকা  এক অদেখা আর অলিখিত বন্দনায় শৃঙ্খলিত হয়েছে ।
 ‎
তথাপি বত’মানে বংগবন্ধু কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায়।
 ‎দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কে অব্যহত রেখেছেন।যা দেশের সাড়ে ষোলকোটি মানুষের একমাত্র সান্ত্বনা ।
….আজকোর প্রেক্ষাপট।।গনমাধ্যম….
 ‎
সাধারন জ্ঞানের নিদিষ্ট  পরিসরে দেখা যায়- যেকোন দেশের গনমাধ্যম রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় বরাবরই বিশেষ ভুমিকা রেখে থাকে।এদেশেও তাই।তবে কিছু ভিন্নতা তো চোখে পড়ে।
 ‎
 ‎গনমাধ্যম কে দরাজ গলায় বলতে দেওয়ার বাক সাধীনতায় কপো’রেটরা পেরেক মারে নাই,তা যেমন বলা যায় না,তেমন দেশের কিছু আইনের বনি’ত ধারায়ও যোগ-বিয়োগ সম্পকি’ত ভুমিকা নিয়েও অনেকেই নানা কথা বলে থাকেন।বলাটা প্রেক্ষাপট অনুযায়ী হয়েছে।
 ‎
সুতারাং রাষ্ট্র যন্ত্রের বিশেষ একটা শাখা- গনমাধ্যম আজ সময়ের ধারাবাহিকতায় অনেকটা অসহায়!
 ‎
তবে এ বিষয়ে দীঘ’ ব্যাখ্যায় যাওয়ার ক্ষেত্রও কপো’রেটের কাছে কুক্ষিগত।
 ‎এভাবে বলা যায়- গনমাধ্যম কে তার স্বকীয়তার সৌরভ হতে টেনে নিয়ে শিল্প-বানিজ্যের বিকাশের ঢাল হিসাবে  প্রতিস্টা করা হয়েছে। একটু খেয়াল করলে দেখবো- এদেশে জনসংখ্যা ও  বাস্তবতা বিবেচনায়-গনমাধ্যমের সংখ্যা তুলনামুলক অনেকবেশী।আবার অনেক নীতিবান ও নীতিবিচ্যুত মানুষের বাছ বিচারের ঘাটতিতে- কেউ কেউ আলাদীনের চেরাগ পেয়েছেন। তদ্রুপ কারো কারো এ পেশায় গরীবানার বত’মান কখনো অতীত হয়নি।তাদের ছাপোষা জীবন নিয়ে- দেশ ও মানুষকে নিয়ে নিজস্ব নীতিতে  অবিচল থেকেই – এগুচ্ছেন।
 ‎এটাও জানা কথা- দেশের অশুদ্ধচারে অনেকেরই মন ও কলম কাঁদে – অবহেলিত মানুষের কথা ভেবে। তারই কিছু বর্ণিত দিক-
….সার সংক্ষেপ।।আসন্ন জাতীয় নিবা’চন….
সংবিধান অনুযায়ী- চলতি বছরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
সে হিসাবে- প্রার্থিতা যাচাই ও আমরা দেখবো- যোগ্য অথচ আথি’ক ভাবে দুব’ল লোকেরা নিবা’চনী টিকিট পেতে সামথ’ হন না বা দেওয়া হয় না।তাহলে সেসব জায়গায় কি নিবা’চন থেমে  থাকে?সেসব জায়গায় আথি’ক পুষট যে সব রাঘব বোয়াল নিধা’রন করা হয় -তারা নিবা’চন কালীন অথে’র বিশদ ফুলঝুরি ঝরায়ে- নিবা’চনে জয়লাভ করেন।তদুপরি যা জনগন সচরাচর দেখে থাকেন – সেসব দুল’ভ জনদের সাধারন মানুষের দ্যাখা সাক্ষাত পেতেও কখনো কখোনো অসামথ’ বা ব্যাথ’ হন – ভোট প্রদানকারী জনসাধারণ ।জনপ্রতিনিধি কে পেতে যদি ৩০০- ৪০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে রাজধানীতে লাইফ জ্যাকেট পরে পাড়ি জমাতে হয়- তবে আর যা হোক – জনপ্রতিনিধিত্য নিয়ে- সাধারন মানুষের মানসিক বন্দনা ক্রনিক হতে  খুব একটা কাল ক্ষেপন লাগে না।
এ বিষয়ে আরো ব্যাপ্তিময় বণ’না আনা যায়-  তাতেও বিশেষ বাস্তবতার কোন কমতি হবে না।
সম্প্রতি দেখা গেলো- সংবাদপত্র প্রকাশিত সংবাদ- এমন— দেশের একটি অঞ্চলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মাঝে বেজায় ভাব- এ জাতীয়।যদিও রাজনীতির নীতি-আদশ’-প্রথায় আলাদা এ দুটি দলের।তথাপি- নীতি নিধা’রকরা কি এজাতীয় সক্ষতাকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না?
নাকি উভয় দল থেকেই গ্রীন সিগনালে নবাগত কপো’রটরা নামছেন অত্র এলাকায় জাতীয় নিবা’চন কে সামনে রেখে? (চলমান)
 ‎
0Shares

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওয়াহিদুজ্জামান
ফোনঃ +৮৮-০১৭৪২৩৪১৫২৩
ইমেইলঃ wzaman288@gmail.com

স্মরনিকা
২৪৭, টুটপাড়া মেইন রোড,
খুলনা-৯১০০, বাংলাদেশ ।
মোবাইলঃ+ ৮৮-০১৯২২৫৫৭৮৯৬
ইমেইলঃ dkhulnanews@gmail.com

কপিরাইট © ২০১৭ |
সর্বস্বত্ব ® স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ডিজিটালখুলনা.কম |
উন্নয়নে Real IT Solution