সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনাবাসীকে স্বাস্থ্যকর শহর উপহার দিতে চাইঃ খুলনা সিটি মেয়র

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন,
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনাবাসীকে স্বাস্থ্যকর শহর উপহার দিতে চাই। বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা খুলনাসহ বিশ্বের ৫টি শহরকে স্বাস্থ্যকর শহর হিসেবে গড়ে
তোলার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। তাদের সহযোগিতায় খুলনাকে যে কোন মূল্যে
স্বাস্থ্যসম্মত সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সিটি মেয়র আজ শনিবার সকালে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে খুলনা
স্বাস্থ্যকর শহর উপদেষ্টা কমিটির ৪র্থ সভায় সভাপতির বক্তৃতা করছিলেন।
‘‘হেলদি সিটিস : আরবান গভর্ন্যান্স ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং’’ শীর্ষক
প্রকল্পের আওতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অসংক্রামক রোগ
নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (ডিজিএইচএস), খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থা যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। সভায় খুলনা মহানগরীতে
প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেসিসি’র সাথে স্থানীয় বিভিন্ন
সরকারি সংস্থার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।
সভাপতির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী
শেখ হাসিনার সার্বিক দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সামনের দিকে
এগিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। এত বড়
মেগা প্রকল্প মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা ও মেধার সাক্ষর বহন করছে। তাঁর
বলিষ্ঠ ও যোগ্য নেতৃত্বে আগামী একচল্লিশ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত
দেশে পরিণত হবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়াটা বড় কথা নয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য
বাস্তবায়নে তিনি স্বাক্ষরকারী সকল সংস্থাকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: জিল্লুর রহমান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. আহমেদুল কবীর, ডিজিএইচএস-এর লাইন
ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন, খুলনার বিভাগীয় স্বাস্থ্য
পরিচালক ডা. মো: মনজুরুল মুরশিদ, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) লস্কার তাজুল ইসলাম, খুলনা মেডিকেল কলেজের
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, কেএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার সাজিদ
হোসেন, খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আব্দুল্লাহ পিইঞ্জ, জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো: ইউসুপ আলী,
কেডিএ’র পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের
নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আনিসুজ্জামান মাসুদ, ওজোপাডিকো’র
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহিন আক্তার পারভীন, বিটিসিএল-এর
উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: তরিকুল ইসলাম, বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের
পরিচালক মো: মিজানুর রহমান, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-বাংলাদেশের
ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. ফারজানা আকতার ডরিন, খুলনা প্রকৌশল
ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোস্তফা সরোয়ার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রফেসর ড. আশিকুর রহমান, প্রকল্প কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ প্রমুখ
সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন, বিভাগীয় হেলথ অফিস-খুলনা, খুলনা উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, খুলনা ওয়াসা, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লি:, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী,
খুলনা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, খুলনা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে দায়িত্বশীল
কর্মকর্তাগণ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির