বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিলঃ শ্রম প্রতিমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার মধ্য দিয়ে নৃশংস মানবতার লঙ্ঘন ঘটানো হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই এ দেশ পাকিস্তানের ভাবধারায় চলতে থাকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। হত্যা করতে চেয়েছিল এদেশে মানুষের ২০০ বছরের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার আকাক্সক্ষাকে। সে আকাক্সক্ষাকে ধূলিসাৎ করে হত্যা করতে চেয়েছিল।  আর এটা করেছিলো জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সদ্যাপরায়ণ হয়ে পাকিস্থানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন পিতার হত্যার পর এদেশে আসতে চেয়েছিলেন তাকে আসতে দেয়া হয়নি। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা যখন দেশে এসেছিলেন তখন তার বাবা-মায়ের বাসভবনে দোয়া-মাহফিলের জন্যও তাকে ঢুকতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। এতোটাই নিষ্ঠুর আচরণ করেছিলেন ঐ সময় জিয়াউর রহমান। এখন তারই দল বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলেন, মানবতার কথা বলেন, তখন কোথায় ছিলো এই মানবতা ও গণতন্ত্র। তাই বিএনপি নেতাদের মুখে আইনের কথা, গণতন্ত্রের কথা, মানবতার কথা মানাই না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নামক দলটি কথায় কথায় বলেন আইনের শাসন লঙ্ঘিত করছে এই সরকার। বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার বন্ধ করে বিএনপিই আইনের শাসন লঙ্ঘন করে এদেশের বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিলো।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় হাজী মহসিন কলেজ অডিটোরিয়ামে ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাশারের পরিচালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মোঃ ফারুক আহমদ, সমীর কুমার সরকার, তৌহিদুল ইসলাম ঝন্টু, স. ম. মঞ্জুরুল আলম, মোঃ মনিরুজ্জামান, পারভীন আক্তার, শারমিন রহমান শিখা, কাউন্সিলর খাদিজা সুলতানা সোনালী, তাইজুল ইসলাম, জোবায়ের হোসেন বিশ্বাস, মিরাজ চৌধুরী, মো. মুজতবা চৌধুরী মামুন প্রমূখ। শোকসভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।খবরঃ বিজ্ঞপ্তির