খুলনায় দুদকের অভিযান,জরিমানাসহ মালিকের ৬ মাসের কারাদন্ড ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা

নিউজ ডেস্কঃ
খুলনায় দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, খুলনা থেকে গতকাল রাতে নগরীর ২ নং কাস্টমঘাট এলাকায়  অভিযান পরিচালিত হয়।

শিল্পকারখানায় লোহা কাটা সহ ভারী কাজে ব্যবহৃত অক্সিজেন খুলনা জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের সরবরাহ করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে উক্ত অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে ঔষধ পরিদর্শক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি হিসেবে, সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক, বিস্ফোরক পরিদপ্তরের প্রতিনিধি হিসেবে, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি হিসেবে জনাব একজন ডাক্তার উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত অভিযানে রাশিদা মেমরিয়াল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক, খুলনা এবং লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল, খুলনা এ অভিযান পরিচালনাকালে অনুমোদিত দুইটি মেডিকেল অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লিন্ডে বিডি ও স্পেক্ট্রা কোম্পানির সিলিন্ডার পাওয়া যায়। কিন্তু মার্চ ২০২৩ এর পূর্বে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় করত তার কোন ক্রয় ভাউচার/রসিদ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। অত:পর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অননুমোদিত অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান “রকি অক্সিজেন” নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন ও বাজারজাতকরনের কোন লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও অভিযানকালে সেখানে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের পাশাপাশি লিন্ডে বিডি ও স্পেক্ট্রা কোম্পানির সিল সম্বলিত মেডিকেল কাজে ব্যবহৃত অক্সিজেন গ্যাসের অনুরুপ সিলিন্ডার পাওয়া যায়। যার মধ্যে পাঁচটিতে গ্যাস ভর্তি ছিল এবং ত্রিশটি সিলিন্ডার খালি ছিল। প্রতিষ্ঠানটি মেডিকেল অক্সিজেন গ্যাস উৎপাদনের অনুমোদনের স্বপক্ষে কোন প্রকার রেকর্ডপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। অনুমোদন বিহীন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার অপরাধে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্টেটের উপস্থিতিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক খুরশিদ আলমকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ (দশ) টাকা অর্থ দণ্ড অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারা দণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। জব্দকৃত অক্সিজেন ফ্যাক্টরির সকল আলামত কাউন্সিলর, ২৫ নং ওয়ার্ড, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, খুলনা এর জিম্মায় প্রদান করা হয়।
প্রসঙ্গত,এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে ২৩/০৫/২০২৩ খ্রি. তারিখে ০৫টি অভিযোগের বিষয়ে (০১টি অভিযান ও ০৪টি দপ্তরে পত্র প্রেরণ) পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।