এমপি সালাম মূর্শেদীর আয়োজনে শেখ রেহানার জন্মদিন পালন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার ৬৭তম জন্মদিন উপলক্ষে
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ‍্যায় এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদীর খুলনাস্থ দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তৃতায় সালাম মূর্শেদী এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রেরণাময়ী সহোদরা শেখ রেহানার ৬৭ তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হলেও একজন সাধারণের মতোই জীবনযাপন করেন শেখ রেহানা।
একদম সাদাসিধে একজন নারী। চরিত্রে অহংকার পোষণ করেননি। দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃতে তিনি।
সংগ্রাম করে যাচ্ছেন জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে। সুযোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরি তিনি।
মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব পর্দার অন্তরালে থেকে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন সাহস ও অনুপ্রেরণা। তেমনি শেখ রেহানা বড় বোন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাশে থেকে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণেই দেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, শেখ রেহানার ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই শান্তির আলোকবর্তিকা হাতে বিশ্বময় শেখ হাসিনা। শেখ রেহানা বেগম মুজিবের পরিপূরক হয়ে উঠেছেন তার কর্মে এবং যোগ্যতার মাপকাঠিতে।
আওয়ামী লীগের কোনো নেতা নন তিনি। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দুঃসময়ে, বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তিনি যেন আশা-ভরসার স্থান। বিশেষ করে শেখ রেহানার কথা উচ্চারিত হলে ২০০৭-এর ওয়ান ইলেভেনের কথা দৃশ্যপটে সামনে চলে আসে। সেসময় আওয়ামী লীগকে বিভক্তির হাত থেকে বাঁচাতে, শেখ হাসিনার মুক্তির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে শেখ রেহানাই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিবের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বি এম এ সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, মোসা:শামসুননাহার, শিউলি সরোয়ার, ফারজানা নিশা, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগগের সাধারণ সম্পাদক
মোল্লা আকরাম হোসেন।
এ সময় বক্তৃতা করেন তেরখাদা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সারাফাত হোসেন মুক্তি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক স ম জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রীচি, সালাম মূর্শেদীর সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা শামসুল আলম বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রিনা পারভিন, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আসাদুজ্জামান শেখ ফরিদ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল বাসার সম্রাট,
তেরখাদা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি খান ফরহাদুজামান সুমন,
উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলামিন,
তেরখাদা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সাধারণ আনারুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা যুবলীগ নেতা সরদার জসিম উদ্দিন, সুব্রত বাগচী, শফিকুর রহমান ইমন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তারেক আজিজ, সাধারণ সম্পাদক শাওন,দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রনেতা শাফিউল ইসলাম হিমেল শিবলু সাদিক, বি এম হাবিবপ্রমূখ।
সভার শুরুতে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক মন্ত্রী সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির