আমাদের আজকের দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট

দেশের চলচ্চিত্রের মান আর অগ্রগতি হলে- সেটার প্রাপ্তি চলচ্চিত্র কলাকুশলী সহ আপামর সিনামা প্রেমি মানুষের। প্রয়াসই দ্যাখা যায় – চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের নানা রকম পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি।
যা সাধারণ মানুষের চোখে বরাবরই বাধে ।কিংবা দ্যাখা যায় একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয়,অভিযোগ, মামলার মত ঘটনা।দেশীয় চলচ্চিত্র আজ যে বিভিন্ন প্রতিকুলতার মুখোমুখি, সে বিষয়সমুহ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

চলতি বছরে কিছু সিনামার মান ভাল থাকায় অনেকই সিনামা দেখতে হলে যাচ্ছেন। যা ইতিবাচক একটি সংবাদ আমাদের জন্য।পাশাপাশি সেই অহেতুক সমালোচনার গতি চোখে পড়ার মত একটি বিষয় হিসাবে অনেকের কাছে বিবেচ্য।

পরিস্কার ভাবে বলতে গেলে – পরান- হাওয়ার মত সিনামা দেখে মানুষ যেমন বিনোদন পেয়েছেন। তেমন অনন্ত জলিলের প্রজেজনায় দিন দ্যা ডে নিয়ে – নানা রকম সমালোচনা। অনন্ত জলিল যদি বাংলা চলচ্চিত্র কে আন্তর্জাতিক অংগনে পরিচিতির ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারেন,তাতে অসুবিধা কোথায়? অহেতুক দিন দ্যা ডের বাজেট নিয়ে নানা কথা দিয়ে নিউজে ছয়লাব করে বেনিফিট টা কি?
এইসব অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে ব্যাতিব্যাস্ত না হয়ে চলচ্চিত্রের মানের প্রতি সংশ্লিষ্টদের নেক নজর দেওয়াটা সমীচীন বলে বোদ্ধা মহল মনে করেন।

অনন্ত জলিল বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যদি ভালবেসে – ভাল মন নিয়ে তার ইতিবাচক কন্ট্রবিউশন বাড়াতে চান, তবে সেসবকে আন্তরিকতার সাথে অভিনন্দন জানিয়ে সাদরে গ্রহণ করাই ইতিবাচক মানসিকতার পরিচায়ক বলে আমরা সাধারণ চোখ দিয়ে মূল্যায়ন করি।
রাজ্জাক – শাবানা, ববিতা,কবরি,আলমগীর,ইলিয়াস কাঞ্চনের সিনামার যুগে আমাদের সিনামা সংস্কৃতিতে ফিরে গিয়ে আধুনিকতার মিশেলে নির্মিত হোক আমাদের দেশিয় চলচ্চিত্র – এটাই আমাদের একান্ত প্রত্যাশা।।